সিরাজগঞ্জে বন্যায় ভাঙন আতংকে ঘরবাড়ি সরাচ্ছে অনেকে

189

রয়েল নিউজ, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :
সিরাজগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে ৫ সেন্টিমিটার কমে রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে বিপদসীমার ৯ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। যমুনা নদী ভাঙন আতংকে ঘরবাড়ি সরাচ্ছে অনেকে।

অন্যদিকে কাজিপুর পয়েন্টে ১২ সেন্টিমিটার কমে বিপদসীমার ৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। যমুনা নদীর পানি কমলেও অভ্যন্তরীণ নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। বানভাসি হাজার হাজার মানুষ আবারো বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ও আশ্রয় কেন্দ্রগুলিতে আশ্রয় নিয়েছে। চতুর্থ দফায় বন্যা কবলিত হওয়ার পর প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো কোনও ত্রাণ সহায়তা পায়নি বানভাসিরা।
এদিকে কয়েকদিন যাবত পানি বৃদ্ধিও ফলে নদী তীরবর্তী এলাকায় শুরু হয়েছে নদী ভাঙন। আবারো ভাঙন দেখা দিয়েছে সদর উপজেলার পাঁচঠাকুরী এলাকায়।
এর আগে শনিবার দুপুরে যমুনার হঠাৎ করেই সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার ছোনগাছা ইউনিয়নের পাঁচঠাকুরী এলাকার ভাঙন দেখা দেয়। প্রবল স্রোতে আর ঘূর্ণাবাতের কারণে মুহূর্তের মধ্যেই নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায় পাঁচঠাকুরী এলাকার একটি মসজিদ। হুমকির মুখে পড়েছে পাঁঠাকুরী, পাড় পাচিল, মাছুয়াকান্দিসহ বেশ কয়েকটি এলাকা। এসময় ভাঙন কবলিতদের আহাজারি ছাড়া আর কিছুই করার ছিল না। ভাঙ্গন আতংকে অনেকেই ঘরবাড়ি সরিয়ে নিচ্ছে যাচ্ছে।
সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম বলেন, বর্ষা মৌসুমের শুরুতেই আমরা ওই এলাকায় বালুর বস্তা ফেলে ভাঙন রোধ করেছিলাম। কিন্তু হঠাৎ পানি বৃদ্ধি শুরু হওয়ায় ওই এলাকায় তীব্র ঘূর্ণাবর্তের সৃষ্টি হয়।

Previous articleঅবৈধ গ্যাস সংযোগের মহোৎসব, বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা
Next articleট্রামকে পাঠানো চিঠিতে রাইসিন বিষ পাওয়া গেল