লাভজনক হওয়ায় অনেকেই ঝুকঁছেন বিদেশী ফল ‘ড্রাগন’ চাষে

239

রয়েল নিউজ :
ড্রাগনের লাল টুকটুকে সৌন্দর্য্যে দিন দিন বদলে যাচ্ছে সাভারের মাটি। লাভজনক হওয়ায় অনেকেই ঝুকঁছেন বিদেশী ফল ‘ড্রাগন’ চাষে। একজনের সাফল্য দেখে অন্যরাও অনুপ্রাণিত হচ্ছেন ড্রাগন চাষে।

সারি সারি ড্রাগনের গাছ। প্রকৃতির এই সৌন্দর্য্যকে আরো বাড়িয়ে দিতে গাছে গাছে শোভা পাচ্ছে লাল টুকটকে ড্রাগন ফল।এমন দৃশ্য সাভারে,বিরুলিয়ার সাইপাড়া গ্রামের। ভিনদেশি ফলের স্বাদ সুলভে দেশি মানুষের মুখে তুলে দিতে এই গ্রামে কৃষি উদ্যোক্তা হিসেবে ড্রাগন চাষের সূচনা করেন প্রকৌশলী আব্দুল হালিম।উদ্দেশ্য আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে পুষ্টিগুন সমৃদ্ধ ভিনদেশী ড্রাগনের চাষ সম্প্রসারণ।

গাছ লাগানোর মাত্র দেড় থেকে দুই বছরের মধ্যেই ফল আসতে শুরু করে। তারপর একই গাছ থেকে টানা প্রায় ১০ বছর মেলে ড্রাগন ফল।

অধিক লাভ আর দিন দিন এই ফলের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পাওয়ায় আব্দুল হালিমের দেখাদেখি অনেকেই শুরু করেন ড্রাগন চাষ।ড্রাগন চারা আর ফল বেচেই এখন স্বাবলম্বি অনেকে।

অধিক লাভজনক হওয়ায় এভাবে শৌখিন ফলচাষি থেকে ধীরে ধীরে বাণিজ্যিকভাবে সাভারে ছড়িয়ে পড়ছে ড্রাগন চাষ।