ইতিবাচক প্রবৃদ্ধিতে ফিরছে চীনা অর্থনীতি

62

রয়েল নিউজ, বিদেশ ডেস্ক :
বিশ্বের সব দেশ যেখানে প্রবৃদ্ধির ধারায় উল্টোপথে হাঁটছে, সেখানে প্রবৃদ্ধির ধারায় ইতিবাচক অবস্থানে চীন।
ডিসেম্বরে মহামারি শুরুর পর এই দেশই প্রথম লকডাউনে যায়। অথচ মহামারির মধ্যেও কেটে গেছে দেশটিতে মন্দার আশঙ্কা। দেশটির জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে চীনের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩ দশমিক ২ শতাংশ। লকডাউন শিথিল হওয়ায় চালু হয়েছে শিল্প কারখানা। বেড়েছে খুচরা বিক্রি।
অথচ চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে, যে সময়টায় করোনা মহামারির গ্রাস ছিলো চীনে, সেসময় চীনের জিডিপি প্রবৃদ্ধি প্রায় ৭ শতাংশ সংকুচিত হয়েছিলো। যা ১৯৯২ সালের পর সর্বোচ্চ। মহামারি থেকে আর্থিক সংকট কাটিয়ে ওঠা প্রথম দেশ চীন হলেও এখনও অন্য বছরের তুলনায় অনেক কম দেশটির জিডিপি প্রবৃদ্ধি। সামনের সময়গুলোতে প্রবৃদ্ধি আরও বাড়ার আশা প্রকাশ করছেন চীনা অর্থনীতিবিদরা।

নিম্নমুখী শেয়ারবাজারের সব সূচকও এখন স্থিতিশীল হতে শুরু করেছে। অনেক দেশের সাথেই স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে বাণিজ্যিক সম্পর্ক।
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বলছে, চলতি বছর চীনের প্রবৃদ্ধি হতে পারে ১ শতাংশ। যা ১৯৬০ সালের পর সর্বনিম্ন।
নতুন করোনা রোগী সনাক্তের হার কমায় অভ্যন্তরীণ পর্যটনে নিষেধাজ্ঞাও শিথিল করেছে চীন সরকার। তবে সম্প্রতি ইউরোপ আর যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্যসুরক্ষা সামগ্রীর বিভিন্ন কার্যাদেশ বাতিল হচ্ছে। উৎপাদন আর শিল্পখাতের কার্যক্রম বাড়লেও খুব বেশি বাড়েনি ভোক্তা খরচ কিংবা বৈদেশিক বাণিজ্য। এদিকে, কর্মসংস্থান সৃষ্টিতেও জোর দিচ্ছে চীন সরকার।

তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, বিশ্ব মহামারি থেকে তৈরি হওয়া আর্থিক সংকট চীন কাটিয়ে উঠেছে, এ কথা এখনও নিশ্চিত করে বলার সময় আসেনি।

ডিসেম্বরে মহামারি শুরুর পর এই দেশই প্রথম লকডাউনে যায়। অথচ মহামারির মধ্যেও কেটে গেছে দেশটিতে মন্দার আশঙ্কা। দেশটির জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে চীনের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩ দশমিক ২ শতাংশ। লকডাউন শিথিল হওয়ায় চালু হয়েছে শিল্প কারখানা। বেড়েছে খুচরা বিক্রি।

অথচ চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে, যে সময়টায় করোনা মহামারির গ্রাস ছিলো চীনে, সেসময় চীনের জিডিপি প্রবৃদ্ধি প্রায় ৭ শতাংশ সংকুচিত হয়েছিলো। যা ১৯৯২ সালের পর সর্বোচ্চ। মহামারি থেকে আর্থিক সংকট কাটিয়ে ওঠা প্রথম দেশ চীন হলেও এখনও অন্য বছরের তুলনায় অনেক কম দেশটির জিডিপি প্রবৃদ্ধি। সামনের সময়গুলোতে প্রবৃদ্ধি আরও বাড়ার আশা প্রকাশ করছেন চীনা অর্থনীতিবিদরা।

নিম্নমুখী শেয়ারবাজারের সব সূচকও এখন স্থিতিশীল হতে শুরু করেছে। অনেক দেশের সাথেই স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে বাণিজ্যিক সম্পর্ক।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বলছে, চলতি বছর চীনের প্রবৃদ্ধি হতে পারে ১ শতাংশ। যা ১৯৬০ সালের পর সর্বনিম্ন।

নতুন করোনা রোগী সনাক্তের হার কমায় অভ্যন্তরীণ পর্যটনে নিষেধাজ্ঞাও শিথিল করেছে চীন সরকার। তবে সম্প্রতি ইউরোপ আর যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্যসুরক্ষা সামগ্রীর বিভিন্ন কার্যাদেশ বাতিল হচ্ছে। উৎপাদন আর শিল্পখাতের কার্যক্রম বাড়লেও খুব বেশি বাড়েনি ভোক্তা খরচ কিংবা বৈদেশিক বাণিজ্য। এদিকে, কর্মসংস্থান সৃষ্টিতেও জোর দিচ্ছে চীন সরকার।

তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, বিশ্ব মহামারি থেকে তৈরি হওয়া আর্থিক সংকট চীন কাটিয়ে উঠেছে, এ কথা এখনও নিশ্চিত করে বলার সময় আসেনি।