ধর্ষণের পর হত্যা মামলার ভিকটিমকে জীবিত উদ্ধার, এলাকায় তোলপার

92

রয়েল নিউজ, নারায়নগঞাজ প্রতিনিধি :
নারায়ণগঞ্জে ধর্ষনের পর হত্যা করে জিসা মনিকে শীতলক্ষ্যায় ফেলে দেয়া হয়। সে মামলায় ৩ আসামীকে পুলিশ গ্রেফতার করে রিমান্ডও দিয়েছেন। তাহলে মৃত্যুর ৫১দিন পর জীবিত অবস্থায় জিসামনি ফিরলো কিভাবে? আর কাদেরকেই বা পুলিশ রিমান্ডে নিলেন? এ নিয়ে উত্তেজনায় পুরো নারায়ণগঞ্জ। মৃত্যুর ৫১ দিন পর রবিবার জিসামনি নবীগঞ্জের একটি ফোনের দোকানে এসে বাবা মাকে ফোন করে।বাবা মা জিসামনিকে উদ্ধার করে সদর মডেল থানায় নিয়ে আসে।

এ ব্যাপারে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় ধর্ষনের পর হত্যা করার অভিযোগে জিসামনির বাবা জাহাঙ্গীর বাদী হয়ে ৬ আগষ্ট দায়ের করা মামলায় পুলিশ আব্দুল্লাহ, খলিল মাঝি, রকিব নামে ৩ আসামীকে গ্রেফতার করে কোর্টে সোপর্দ করে। সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট মিল্টন হোসেন ও জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আহ্ম্মেদ হুমায়ুন কবিরের আদালতে যাকে পালাক্রমে ধর্ষণের পর হত্যা করে লাশ শীলক্ষ্যায় ফেলে দেওয়ার কথা জানিয়ে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছিল ঐ তিন আসামি। হত্যা ও ধর্ষণের দায়ে আসামিরা এখন কারাগারে। কিন্তু ঘটনার ৫১ দিন পর সুস্থ ও স্বাভাবিক অবস্থায় পাওয়া গেছে জিসা মনিকে। এ ঘটনায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে চারদিকে। পুলিশের তদন্ত ও আদালতে দেওয়া আসামিদের জবানবন্দি নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন । তবে পুলিশ জানাচ্ছে, আসামিদের ফের রিমান্ডে নিয়ে এমন জবানবন্দি দেওয়ার কারণ জানতে চাওয়া হবে।

এ মামলায় রিমান্ডে নেয়া আসামীদের না মারার কথা বলে তাদের পরিবারের কাছ থেকে দফায় দফায় ৪৭ হাজার টাকা নেয় এসআই শামীম এমনটাই অভিযোগ করেন তিন আসামীর স্বজনরা।

এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান গনমাধ্যম কর্মীদের বলেন, পুলিশ সদস্যর বিরুদ্ধে টাকা নেয়ার অভিযোগ থাকলে ঐ পুলিশ সদস্যর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। ঘটনার দিন আব্দুল্লাহর মোবাইল ফোনে জিসামনি কথা বলে।আব্দুল্লাহর কাছে চিপস খেতে চাইলে আব্দুল্লাহ চিপস আনতে গিয়ে আর আসেনি পরে সাবেক প্রেমিক ইকবালকে ফোন করে তার সাথে চলে যায়।বন্দরের কুশিয়ারায় রমজানের বাসা ভাড়া নিয়ে থাকে।রবিবার মোবাইল ফোনে মার কাছে ৪হাজার টাকা চায়।পরে পুলিশ গিয়ে উদ্ধার করে।যেহেতু জবানবন্দী দিয়েছে আসামীরা তদন্ত সাপেক্ষ প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা হবে।