করোনায় আরো ৫০ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১৯১৮

27

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাস (কভিড-১৯) কেড়ে নিয়েছে আরো ৫০ জনের প্রাণ। এই নিয়ে ভাইরাসটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো তিন হাজার ২৩৪ জনে। একই সময়ে করোনায় আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন আরো এক হাজার ৯১৮ জন। ফলে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা এখন দুই লাখ ৪৪ হাজার ২০ জন।

করোনাভাইরাস বিষয়ে মঙ্গলবার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। বুলেটিন উপস্থাপন করেন অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

দেশের মোট ৮৩টি পরীক্ষাগারে নমুনা পরীক্ষার তথ্য তুলে ধরে তিনি জানান, করোনাভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ৮ হাজার ১২৩ টি। আর একই সময়ে পরীক্ষা করা হয় ৭ হাজার ৭১২ টি নমুনা। এ নিয়ে মোট নমুনা পরীক্ষা করা হলো ১২ লাখ ১ হাজার ২৫৬ টি। নতুন পরীক্ষায় করোনা মিলেছে এক হাজার ৯১৮ জনের মধ্যে। এ নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল দুই লাখ ৪৪ হাজার ২০ জনে। আক্রান্তদের মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে আরো ৫০ জনের। ফলে ভাইরাসটিতে মোট মারা গেলেন তিন হাজার ২৩৪ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় যাদের মৃত্যু হয়েছে তাদের মধ্যে পুরুষ ৪৪ ও নারী ৬ জন। এদের মধ্যে ত্রিশোর্ধ্ব ৩ জন, চল্লিশোর্ধ্ব ৬ জন, পঞ্চাশোর্ধ্ব ১৭ জন, ষাটোর্ধ্ব ১৮ জন, সত্তরোর্ধ্ব ৫ জন এবং ৮০ বছরের বেশি বয়সী ১ জন। মৃতদের মধ্যে ঢাকা বিভাগের ২৯ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের পাঁচজন, খুলনা বিভাগের চারজন, রাজশাহী বিভাগের পাঁচজন, সিলেট ও বরিশাল বিভাগে একজন করে, ময়মনসিংহ বিভাগের একজন এবং রংপুর বিভাগের চারজন ছিলেন।

মঙ্গলবারের বুলেটিনে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার তুলনায় রোগী শনাক্তের হার ২৪ দশমিক ৮৭ শতাংশ। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষার তুলনায় রোগী শনাক্তের হার ২০ দশমিক ৩১ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন আরো ১৯৫৫ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল এক লাখ ৩৯ হাজার ৮৬০ জন। আর রোগী শনাক্ত তুলনায় সুস্থতার হার ৫৭ দশমিক ৩১ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৩৩ শতাংশ।

দেশে গত ৮ মার্চ প্রথম দুজনের করোনা শনাক্ত হয়। সংক্রমণ রোধে প্রায় দুই মাস সাধারণ ছুটি দেয় সরকার। লকডাউনও করা হয় বিভিন্ন জেলা। পরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে চলাচল করতে জনগণকে আহ্বান জানানো হয়।