আবাহনী মনে করছে মালদ্বীপ ঈগলস সেরা

22
এএফসি কাপ

রয়েল নিউজ :

মালদ্বীপ ঈগলসের বিপক্ষে তাদের প্রিয় দল এএফসি কাপের প্রিলিমিনারি রাউন্ড-২ এর ম্যাচটি কোথায় খেলবে আবাহনী ভক্তদের মনে এখন একটাই প্রশ্ন। ম্যাচটির আয়োজক ছিল আবাহনী, হওয়ার কথা ছিল ঢাকায় ১৪ এপ্রিল।

দেশে লকডাউন ঘোষণা হওয়ায় এএফসি আবাহনীকে নিরপেক্ষ ভেন্যু খুঁজতে বলেছিল । বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের ৬ বারের চ্যাম্পিয়নরা ২১ এপ্রিল নেপালে ম্যাচটি খেলার সব বন্দোবস্তও করে ফেলেছিল। কিন্তু আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে নিষেধাজ্ঞা আসায় সে পরিকল্পনা বাদ দিতে হয়।

এর মধ্যে এএফসি, বাফুফে ও আবাহনীর ত্রিপক্ষীয় ভার্চুয়াল সভাও হয়েছে ম্যাচটি নিয়ে। তবে কোনো সমাধান আসেনি। সেখানে মূলত তিনটি অপশন নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। নেপালে খেলতে না পারলে ভারতে গিয়ে ম্যাচটি খেলতে পারে আবাহনী ও ঈগলস। জয়ী দলটি থেকে যাবে ব্যাঙ্গালুরু এএফসির বিপক্ষে প্লে অফ রাউন্ড খেলতে। আর শেষ অপশন গ্রুপপর্বের আগে মালদ্বীপে ম্যাচ আয়োজন।

দ্বিতীয় দফা লকডাউন ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের নিষেধাজ্ঞা বাড়ার পরই বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) দেশের সর্বশেষ পরিস্থিতি জানিয়ে চিঠি দিয়েছিল এএফসিকে। জবাবে এএফসি ২৩ এপ্রিল পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়ে আবাহনীকে ম্যাচটি নিয়ে তাদের পরিকল্পনার কথা জানাতে বলেছে।

প্রশ্ন হলো কী করবে আবাহনী ? কী পরিকল্পনা দেবে এএফসিকে ? আবাহনীর ম্যানেজার সত্যজিৎ দাশ রুপুরও জানা নেই এ প্রশ্নের উত্তর, ‘বুঝতে পারছি না আমরা কী পরিকল্পনা দেবো। লকডাউন উঠে যাবে কি না, আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু হবে কি না তা তো নিশ্চিত নয়। তাহলে আমরা কিভাবে ভারতে খেলতে যাব। ফ্লাইট বন্ধ, ভিসা বন্ধ। আমাদের ভারতের ক্লাব ব্যাঙ্গালুরুর সঙ্গেও আলোচনা করতে বলেছে এএফসি। ব্যাঙ্গালুরু তো হোস্ট, তাদের বলব ভিসার ব্যবস্থা করে দাও।’

ভারতে গিয়ে খেলে আবাহনী দুই ম্যাচ জিতলে আবার যেতে হবে মালদ্বীপে, গ্রুপপর্ব খেলতে। তার চেয়ে আবাহনী ও ব্যাঙ্গালরুকে মালদ্বীপে নিয়ে যাওয়াই তো ভালো, তাই না ?

‘এটা এএফসির লাস্ট অপশন। আমার কাছে এই লাস্ট অপশনকেই সেরা মনে হচ্ছে। কারণ আবাহনী ও ব্যাঙ্গালুরু যে-ই গ্রুপপর্বে উঠুক যেতে তো হবে মালদ্বীপেই। তার চেয়ে আগেই সেখানে গিয়ে ম্যাচ খেলাই তো ভালো। এই লাস্ট অপশন নিয়ে আগেও আলোচনা হয়েছে। এখন আমরা তো ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত না দেখে সুস্পষ্ট কিছু জানাতে পারব না। ঈগলসের বিপক্ষে আমাদের খেলা অনিশ্চিত হওয়ায় ২৮ এপ্রিল ব্যাঙ্গালুরুর ম্যাচটিও তো পেছাতে হবে। আমাদের ম্যাচ না হলে তারা খেলবে কাদের সঙ্গে? এসব করতে করতে ১৪ মে এসে যাবে। তাই আমরা মনে করি প্রিলিমিনারি রাউন্ড-২ এবং প্লেঅফ রাউন্ডের ম্যাচ দুটি মালদ্বীপে হলেই সবচেয়ে ভালো’- বলছিলেন সত্যজিৎ দাশ রুপু।

Previous articleমাদারীপুরের শিবচরে গৃহবধুর আত্মহত্যা : পরিবারের দাবি হত্যা
Next articleঅবৈধভাবে পুকুর খনন, সাংবাদিকদের প্রান নাশের হুমকি, থানায় অভিযোগ!