এমসি কলেজে তরুণী ধর্ষণ: আরেক আসামি মাহফুজ গ্রেপ্তার

95

এজাহারভূক্ত ৬ আসামি

সিলেটের এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে তরুণী ধর্ষণের ঘটনায় এজারহারভুক্ত আরেক আসামি মাহফুজকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার রাতে সিলেটের হরিপুর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে গ্রেপ্তার মামলার প্রধান আসামি সাইফুর রহমান, অর্জুন লস্কর ও রবিউল ইসলামকে ৫ দিনের রিমান্ডে দিয়েছে আদালত।

এজাহারভুক্ত আরেক আসামি মাহবুবুর রহমান রনি এবং সন্দেহভাজন হিসেবে আটক রাজন আহমদ ও আইনুলকে শাহ পরাণ থানায় হস্তান্তর করেছে র‍্যাব।

এর আগে সোমবার সকালে এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে গণধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি সাইফুর রহমান ও ৪ নম্বর আসামি অর্জুন লস্করকে আদালতে নেয়া হয়। দুপুরে তাদের তোলা হয় সিলেট মহানগর হাকিম আদালত দুইয়ে। তদন্তকারী কর্মকর্তা ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্য আসামিদের ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। বিচারক মো. সাইফুর রহমান তাদের প্রত্যেকের ৫ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

বিকাল সাড়ে তিনটার দিকে এজাহারভুক্ত ৫ নম্বর আসামি রবিউলকে আদালতে তুলে ৭ দিনের রিমান্ড চাইলে তারও ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। তাদের পক্ষে কোনো আইনজীবী আদালতে দাঁড়াতে রাজি না হওয়ায় আসামিরা নিজেরাই বক্তব্য দেন।

এদিকে, এ ঘটনার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে সিলেট জেলা আইনজীবি সমিতি। দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান সাধারণ মানুষও।

ছাত্রাবাসে গৃহবধূকে গণধর্ষণের এ ঘটনায় রোববার রাতে সন্দেহভাজন হিসেবে রাজন আহমদ ও আইনুল নামের দুজনকে আটক করেছে র‌্যাব। এজাহারভুক্ত অপর আসামি মাহবুবুর রহমান রনি রয়েছেন র‍্যাব হেফাজতে।

গত শুক্রবার সন্ধ্যায় স্বামীর সঙ্গে এমসি কলেজে বেড়াতে যান ওই তরুণী। এ সময় কলেজ ক্যাম্পাস থেকে বেশ কয়েকজন জোরপূর্বক কলেজের ছাত্রাবাসে নিয়ে যায় দম্পতিকে। সেখানে একটি কক্ষে স্বামীকে আটকে রেখে ১৯ বছরের গৃহবধূকে ধর্ষণ করে তারা।

এ ঘটনায় পরদিন শনিবার ছয়জনের নাম উল্লেখ করে মোট নয়জনের বিরুদ্ধে গৃহবধূর স্বামী শাহপরান থানায় মামলা করেন। পুলিশ ইতোমধ্যে মামলার প্রধান আসামি সাইফুর রহমানসহ এজাহারভুক্ত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

Previous articleসাকিবকে নিয়ে কাউন্টডাউন শুরু
Next articleদ্রুত টোকেন চান প্রবাসীরা