করোনায় দোকান গুটিয়ে ফেলছেন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা

55

রয়েল নিউজ, অর্থনীতি ডেস্ক :
সোমবার ঘড়ির কাঁটায় দুপুর আড়াইটা। রাজধানীর মোহাম্মদপুর চাঁদ উদ্যান হাউজিংয়ের চার নম্বর রোডের এক নম্বর বাড়ির নিচতলায় একটি মুদির দোকান। সেখানে বসা পাঞ্জাবি-পায়জামা পরিহিত এক তরুণ। নাম জামাল উদ্দিন। পাশেই খেলা করছে তার আট বছরের ছেলে রাসেল।

জামালের মাথার ওপর ‘মালামালসহ দোকান বিক্রি ও ভাড়া হবে, মোবাইল নম্বর-০১৭১১১৬৬৯২৬’ শিরোনামের একটি কাগজের বিজ্ঞাপন (লেমেনেটিং) বাতাসে দুলছিল। দোকান ছেড়ে দেয়ার কারণ জানতে চাইলে বেশ উদ্বেগ দৃষ্টিতে কয়েক সেকেন্ড এই প্রতিবেদকের দিকে তাকিয়ে থাকেন জামাল।

এরপর দীর্ঘ নিঃশ্বাস ছেড়ে তিনি বলতে থাকেন- করোনায় শেষ করে দিয়েছে। বিক্রি না থাকলেও মাসে ভাড়ার ১৩ হাজার টাকা গুনতে হচ্ছে। লোকসান দিয়েও টিকতে পারছি না। ব্যবসা গুটিয়ে ফেলব। দোকান মালিককে দেয়া অগ্রিম দুই লাখ টাকা এবং পণ্যসামগ্রীসহ আসবাবপত্রের মূল্য এক লাখ টাকা- এই মোট তিন লাখ টাকা হলে যে কাউকে ব্যবসা বুঝিয়ে দেবেন। এ লক্ষ্যে তিনি বিজ্ঞাপন ঝুলিয়েছেন।

ওইদিনই একই এলাকায় চার নম্বর রোডের সি-ব্লকে এক পাশের শাটার অর্ধেক খুলে মালপত্র গোছাচ্ছেন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা হৃদয়। সামান্য পুঁজি দিয়ে তিন বছর আগে তিনি একটি সেলুন চালু করেন। কিন্তু করোনায় এখন তিনি ঋণগ্রস্ত। এই তিন মাসে ভাড়া বাবদ লোকসান দিয়েছেন ১৫ হাজার টাকা। এ সময়ে তার কোনো আয় হয়নি। হৃদয় যুগান্তরকে বলেন, এক মাসের ভাড়াও মালিক মওকুফ করেনি। ব্যবসা গুটিয়ে ফেলছি। দোকান ভাড়ার জন্য বিজ্ঞাপন টানিয়ে দিয়েছেন।

হৃদয় ও জামাল উদ্দিনের মতো বিপুলসংখ্যক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মহামারী করোনার ধাক্কায় ছিটকে পড়েছেন ব্যবসার মূল স্রোত থেকে। লোকসান সামাল দিতে না পেরে শেষ পর্যন্ত গুটিয়ে নিচ্ছেন ব্যবসা। এজন্য শহরের মার্কেট, হাটবাজার, পাড়া-মহল্লার অলিগলি ও ঘনবসতি এলাকার আনাচে-কানাচে দোকান ভাড়া দেয়া হবে- এ মর্মে বিজ্ঞাপনে সয়লাব হয়ে পড়েছে। কিন্তু ব্যাংকের সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত এসব ক্ষুদ্র উদ্যোক্তার যোগাযোগ না থাকায় সরকারের এসএমই (ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা) খাতের ২০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করা হলেও এর সুফল এসে পৌঁছে না বা তারা সুবিধা নিতে পারছেন না।

অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, করোনার ধাক্কা কয়েকভাবে এসব ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাকে পথে বসিয়েছে। প্রথমত, টানা ‘লকডাউনে’ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও তাদের ভাড়া পরিশোধ করতে হয়েছে। এ সময় তাদের আয় পুরোপুরি বন্ধ থাকে। দ্বিতীয়ত, সরবরাহ চ্যানেলে বাধার কারণে অনেক ক্ষুদ্র দোকানে চাহিদা অনুযায়ী পণ্য পায়নি। ফলে লোকসানের মুখে পড়তে হয়েছে। আবার লকডাউনের আগে পণ্য বিক্রি করা হলেও পাওনা আটকে যাওয়ায় ব্যবসার গতি থেমে যায়। সর্বশেষ হচ্ছে- করোনার কারণে ফ্যাশন আইটেম থেকে ক্রেতারা মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। ফলে ফ্যাশনকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা ছোটখাটো ব্যবসায় একরকম ধস নেমেছে।

এ প্রসঙ্গে পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান বলেন, লকডাউন দেশে দীর্ঘসময় চালু রাখা সম্ভব নয়। এজন্য সীমিত পরিসরে অনেক কিছু খুলে দেয়া হয়েছে। এছাড়া দারিদ্র্য নিরসনে সরকার নানা উদ্যোগ নিয়েছে। এর সুফল মিলবে আশা করছি। আমি বলব- আমি যখন ঘোড়ার পিঠে আছি, তখন ঝাঁকুনি তো একটু লাগবেই।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ব্যাংকগুলোর কালচার বড় ও ভালো গ্রাহকদের বেশি সুবিধা দেয়া। কিন্তু ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের অবস্থা অনেক খারাপ। এরা যদি সুফল না পায়, তাহলে প্রণোদনা প্যাকেজ দিয়ে কোনো লাভ হবে না। তিনি আরও বলেন, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা যাতে প্যাকেজ থেকে ঋণ পান, এজন্য ব্যাংকের পক্ষ থেকে প্রচার থাকতে হবে। শুধু বড় গ্রাহকদের পেছনে দৌড়ালে হবে না। ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের গোড়ায় যেতে হবে।

ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন ফর স্মল অ্যান্ড মিডিয়াম এন্টারপ্রাইজেস ইন এশিয়ার (আইসিওএসএ) তথ্য অনুযায়ী, মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) এসএমই খাতের অবদান এক-পঞ্চমাংশ। বাংলাদেশের অর্থনীতির বড় অংশজুড়ে রয়েছে এসএমই’র অবদান। বিশেষজ্ঞদের মতে, অর্থনৈতিক মন্দার আঘাত বাংলাদেশ কতটুকু সামাল দিতে পারবে, তা অনেকাংশেই নির্ভর করবে এসএমই খাতকে কত দ্রুত উত্তরণের পথে নিয়ে আসা যাবে তার ওপর।

সরেজমিন দেখা গেছে, রাজধানীর ধানমণ্ডি, মোহাম্মদপুর, মিরপুর, রায়েরবাজার, হাজারীবাগ, কামরাঙ্গীরচর, নিউমার্কেটসহ বিভিন্ন এলাকার অনেক ছোট দোকানের সামনে ভাড়া দেয়া হবে- এমন শিরোনামে অসংখ্য সাইনবোর্ড ঝুলছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে মোহাম্মদপুর ১২৬ কাঁটাসুর, ৭৬ কাঁটাসুর, ৩৬৯ জাফরাবাদ, ৩১৯ জাফরাবাদ, ৫৫/১ দুর্গামন্দির গলি পুলপার ঠিকানায় ঝুলছে দোকান ভাড়ার সাইন বোর্ড।

এছাড়া হাজারীবাগ কেমিক্যাল মার্কেটের নিচতলা, হাজারীবাগ বাজার, ৩ নম্বর গজমহল হাজারীবাগ, কামরাঙ্গীরচরের হিমালয় সিটি কমপ্লেক্স, ১৩২ টেকেরহাট নূর মার্কেটের নিচতলা, টেকেরহাট ওয়াজউদ্দিন স্কুল মার্কেট, খলিফা ঘাট, রনি মার্কেট, পশ্চিম রসুলপুর প্রধান সড়ক, মুন্সির আর্টি, হিমালয় সিটি কমপ্লেক্সের নিচতলায় দোকান ভাড়ার বিজ্ঞাপন ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।

এদিকে ধানমণ্ডির ২১/১ ঝিকাতলা, ২/১ সাতমজিদ সুপার মার্কেট, ১২৫/১ সুলতানগঞ্জ রায়েরবাজার, ৩ হাসেম খান রোড সুলতানগঞ্জ রায়েরবাজার এবং রায়েরবাজার মসজিদসংলগ্ন মুদি দোকান, মোহাম্মদপুর মসজিদ সুপার মার্কেটের ২৯ নম্বর দোকান, মোহাম্মদপুর চাঁদ উদ্যান হাউজিংয়ের ৪ নম্বর রোডে সি-ব্লকের হৃদয় হেয়ার ড্রেসার ও এক নম্বর বাড়ির নিচে জামাল উদ্দিন মীর স্টোর, সাত মসজিদ হাউজিংয়ের ৮ নম্বর রোডের ২ নম্বর দোকান এবং ২০৫/১ক, কুড়িল বিশ্বরোড।

ক্ষতিগ্রস্ত কয়েকজনকে মোবাইল নম্বর থেকে শনাক্ত করা হয়। এর মধ্যে রায়েরবাজার ট্যানারি মোড় তিস্তা লেদার শোরুমের মালিক জামাল জানান, করোনায় ৭ থেকে ৮ লাখ টাকা পুঁজি নষ্ট হয়েছে। প্রতি মাসে ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা খরচ বহন করতে হচ্ছে। টিকতে না পেরে শেষ পর্যন্ত ডেকোরেশনসহ শোরুমটি বিক্রির জন্য বিজ্ঞাপন দেয়া হয়।

মোহাম্মদপুরের কাঁটাসুরের স্থানীয় বাসিন্দা হুমায়ুন জানান, চলতি মাসে তার তিনটি দোকান একসঙ্গে ছেড়ে দিয়েছেন দোকানিরা। একটি মুদি দোকানি ইতোমধ্যে চলে গেছেন। বাকি দুটি ৩১ জুলাই চলে যাবেন। আক্ষেপ করে তিনি বলেন, নির্ধারিত ভাড়া থেকে কমিয়ে দেয়ার পরও তারা থাকছেন না।

আরও দেখা যায়, লকডাউনে সরবরাহ বন্ধ হয়ে পড়ায় ৭৬ কাঁটাসুর দইয়ের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে। ঐতিহ্যবাহী বগুড়ার দই বিক্রির জন্য দোকানটি চালু করা হয়েছিল। ২০৫/১-ক কুড়িল বিশ্বরোড ঠিকানার দুটি দোকানে প্রতি মাসে ভাড়া গুনতে হয় ১০ হাজার টাকা।

মেশিনারিজের ক্ষুদ্র পার্টস ব্যবসায়ী আলিম উদ্দিন (ছদ্মনাম) জানান, দু’জন কর্মচারীও ছিল মাসে ১৪ হাজার টাকা বেতনে। কিন্তু করোনার ধাক্কায় ব্যবসা চলছে না। দুটি দোকানই ছেড়ে দিয়েছেন। হাজারীবাগের ৩ নম্বর গজমহলের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী রিয়াদ জানান, গত তিন মাসে ৯০ হাজার টাকা লোকসান খেয়ে দোকান ছেড়ে দেয়ার কথা মালিককে জানিয়েছেন।

কামরাঙ্গীরচর নূর সুপার মার্কেটের পোশাকের ব্যবসায়ী রাকিব হোসেন জানান, তাদের পাইকার কুমিল্লা ও চট্টগ্রামের। কিন্তু লকডাউনে তিন মাস ঢাকা আসতে পারেননি তারা। ক্রেতার অভাবে বড় ধরনের লোকসানের কারণে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ছেড়ে ভাড়া দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। একই এলাকার টেকেরহাটের মার্কেটে দুটি পোশাকের দোকানে ভাড়ার সাইন বোর্ড ঝুলতে দেখা গেছে। ওই দোকানের মালিক আবদুল মালেকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে বলেন, বিদ্যুৎ বিলও দেয়ার মতো ক্ষমতা হারিয়েছেন দোকানিরা। লোকসানে পড়ে দুটি প্রতিষ্ঠান তাদের দোকান ছেড়ে দিয়েছে।

প্রতি মাসে দুই দোকান থেকে ১০ হাজার টাকা ভাড়া আসত। ১৭ বছর সেলুন চালু রেখে টিকে থাকতে পারেননি ৩ নম্বর সুলতানগঞ্জ রায়েরবাজারের ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা রিপন। লকডাউনে লোকসানে পড়ে দোকান ভাড়ার বিজ্ঞাপন ঝুলিয়ে দিয়েছেন। রিপন জানান, প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা ভাড়া গুনতে আর পারছি না। কারণ আয় কমে গেছে।

এদিকে ঢাকার অদূরে টঙ্গী বিসিক এলাকার ‘হাজী আওলাদ হোসেন মার্কেটের’ স্বত্বাধিকারী সায়েম যুগান্তরকে জানান, তার মার্কেটে ছোট-বড় ৩০টি দোকান আছে। গত এক মাসেই ১০টি দোকান খালি হয়েছে। ছোট ব্যবসায়ীরা করোনার কারণে টিকতে না পেরে ভাড়া ছেড়ে দিয়েছে।

প্রসঙ্গত, এসএমই খাতের ক্ষতি নিয়ে সম্প্রতি বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) গবেষণার রিপোর্টে বলা হয়েছে, লকডাউনের কারণে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে ক্ষতি হয়েছে ৯২ হাজার কোটি টাকা। শুধু উৎপাদিত পণ্যের বিক্রয়মূল্য আটকে থাকায় ৪১ শতাংশের বেশি এসএমই প্রতিষ্ঠান বন্ধের উপক্রম হয়েছে। আর কোনো মতে টিকে আছেন ৪৮ শতাংশ উদ্যোক্তা। চলতি বছরে এসএমই খাতে ৬৬ শতাংশ পর্যন্ত আয় কমতে পারে বলে আগাম আভাস দেয়া হয়েছে সংস্থাটির রিপোর্টে।

প্রণোদনা প্যাকেজ : বাংলাদেশ সরকার ক্ষুদ্র, কুটির ও মাঝারি শিল্প প্রতিষ্ঠানের (এসএমই) জন্য বিশেষ আর্থিক প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। এ খাতের চলতি মূলধন সংস্থানের জন্য ২০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বিনিয়োগ ও ঋণ বরাদ্দ করেছে। বিশেষ প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো এসএমইকে ৪ শতাংশ হারে ঋণ দেবে। বাকি ৫ শতাংশ সরকার ব্যাংকগুলোকে সরাসরি ভর্তুকি হিসেবে দেবে। তবে এ সুবিধা সবাই নিতে পারছে না। কারণ, মাত্র ৩৮ শতাংশ এসএমই প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব রয়েছে। বাকি ৬২ শতাংশ প্রতিষ্ঠানেরই ব্যাংক হিসাব নেই। আর ওই ৬২ শতাংশের মধ্যে এসব ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা রয়েছেন। যাদের মূলধন মূলত ৫০ হাজার টাকা থেকে তিন লাখ টাকা। ব্যাংকের সঙ্গে লিংক না থাকায় ক্ষতিগ্রস্ত উদ্যোক্তারা বঞ্চিত হচ্ছেন।

এ প্রসঙ্গে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (কেন্দ্রীয় ব্যাংক) এমবিএম রুহুল আজাদ বলেন, প্রণোদনা প্যাকেজের সুবিধা পেতে এফবিসিসিআইসহ ক্ষুদ্র অনেক শিল্প অ্যাসোসিয়েশন আবেদন করছে। তাদের আবেদন বিবেচনার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকে পাঠানো হচ্ছে। কারণ, প্যাকেজ বাস্তবায়ন করবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তাদের নীতির সঙ্গে এসব আবেদন পর্যালোচনা করে প্রণোদনা প্যাকেজ সুবিধায় আনা যায় কি না, সেটি দেখবে তারা।

প্যাকেজ সম্পর্কে জানেন না : এসএমই প্রণোদনা প্যাকেজ সম্পর্কে জানেন না অনেকে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা। কারণ, ব্যাংকগুলো থেকে এ সম্পর্কে প্রচার নেই। ফলে মাঠপর্যায়ে অনেক ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা প্রণোদনা প্যাকেজের সুবিধা নিতে পারছেন না। হাজারীবাগ এলাকার ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর জানান, ছোট ব্যবসায়ীদের জন্য ব্যাংকঋণ ব্যবস্থা থাকলে এই ক্রান্তিকালে অনেকে টিকে যেত। কিন্তু ব্যাংক থেকে এ ধরনের কোনো তথ্য জানানো হয়নি।

সূত্র: যুগান্তর